আপনারা টুপি পরতে, দাঁড়ি রাখতে, পর্দা করতেলজ্জা পান। একজন বয়স্ক মেয়ে যদি উলঙ্গ হয়ে স্কিন টাইট জিন্স  প্যান্ট পড়ে রাস্তায় চলতে লজ্জা না পায়, তো তুমি কেনো বোরকা পরে রাস্তায় বের  হতে লজ্জা পাচ্ছ? কারণটা কি?
একটা যুবক ছেলে এমন প্যান্ট পরেছে দেখলে বোঝাই যায় না, সে সেলাই করে পরছে নাকি পরার পর সেলাই করেছে। সুতা বের হয়ে  গেছে দেখাই যাচ্ছে। সে যদি এই ছেড়া প্যান্ট পরে হাঁটতে লজ্জা না পায় তো তুমি যুবক টুপি পরে চলতে লজ্জা পাও কেনো?

একজন পুরুষ মহিলাদের মত চুল রেখে বেনি করেছে।একটা রাবার লাগিয়ে এখন সে এই ভাবে রাস্তায় বের হচ্ছে। সে যদি এইভাবে  রাস্তায় বাহির হতে লজ্জা না পায়, তো তুমি দাঁড়ি রেখেরাস্তায় চলতে লজ্জা পাও কেনো? তোমার মাথায় কি কোনো বুদ্ধি বিবেক নাই?

এই শয়তানগুলোর সংখ্যাও তো বেশি না। তো তোমার সমস্যা কি?
তুমি গরুর ডেইরী ফার্মে গেছো।গিয়ে দেখছো এক লক্ষ গরু। তারা সবাই কি পোশাক পরা না উলঙ্গ? এখন তুমি কি ভাববে যে, এতো গরু সবাই উলঙ্গ আর আমি পোশাক পরে  থাকবো, এটাকেমন যেন হয়ে যাই।
এটা কেমন একটা ব্যাপার হয়ে যায়। ৫ কোটি  গরু উলঙ্গ থাকতে পারে কিন্তু, আমি মানুষ আমি উলঙ্গ হতে পারি না। এই গরু এবং জানোয়ারের দল উলঙ্গ হয়ে রাস্তায়  চলতে পারে।

কিন্তু আমি মুসলমান আমি মানুষ। আমি উলঙ্গ হয়ে চলতে পারি না। এগুলো বুঝতে হবে।কারণ ওরাতো মানুষের দল না। ওরা হলো বানরের গোষ্ঠী। আল্লাহ্ পাক কালামে পাকের মধ্যে বলেন_____ “এগুলো কুকুর-শেয়াল-শুকোরের চেয়েও খারাপ।” এদের পরিচয় তো আল্লাহ্ পাক বলেইদিয়েছেন। তুমি কেনো এতো টেনশন করছো?
তোমাকে ভাবতে হবে এককোটি জানোয়ার উলঙ্গ থাকলেও আমি উলঙ্গ থাকতে পারি না। যেহেতু ওরা জানোয়ার  আমি মানুষ।
গোটা দুনিয়ার যুবকগুলি হাফপ্যান্ট পরে হাঁটলেও আমি হাফপ্যান্ট পরে হাঁটতে পারবো না। গোটা দুনিয়ার মানুষ  বদমায়েশি করলেও আমি বদমায়েশি করতে পারবো না। গোটা দুনিয়ার মানুষ মদ খেতে পারে আমি মদ খেতে পারবো না। এককথায় গোটা দুনিয়ার মধ্যে একজন মুসলমান না  থাকলেও আমি একজন মুসলমান থাকবো। গোটা দুনিয়ার কেউ আমার মাওলাকে সেজদা
না করলেও আমি একা মাওলাকে সেজদা করবো।গোটা দুনিয়ার মধ্যে কেউ আল্লাহ কে আল্লাহ্ বলে ডাক না দিলেও আমি  আল্লাহ্ বলে ডাকদেবো। গোটা দুনিয়ার মধ্যে কেউ কুরআন তেলায়াত না করলেও আমি একা কুরআন তেলায়াত করবো।

উমর ইবনুল খাত্তাব রা. বলেন, “গোটা দুনিয়ারমধ্যে একজন মুসলমান না থাকলেও আমি মুসলমানথাকবো। গোটা দুনিয়ার বুকে যদি মুসলমান বন্ধু আমি না পাই, আমার বন্ধুর দরকার নাই। গোটা দুনিয়ার মধ্যে একজন মুসলমান মেয়ে যদি না পাইবিবাহ করার জন্য তাহলে আমার বিবাহের দরকার নাই।” এমনিতেই মুসলমান? এতই সহজ? আল্লাহ্ তায়ালা কালামে পাকে বলেন,
“যে ঈমান এনেছে, আখিরাতকে বিশ্বাস করেছে, ঐ মুমিন কখনো আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূলের দুশমনদের সাথে কোনো দিন
মহব্বত রাখতে পারে না ।
চাই আল্লাহর দুশমন তাঁর পিতা হোক না কেনো, চাই মুমিনের আল্লাহর দুশমন ছেলে হোক না কেনো, আল্লাহর দুশমন তার ভাই হোক না কেনো, চাই তার স্ত্রী হোক না কেনো, চাই তার নিকটতম আত্মীয় হোক না কেনো।” [সূরা মুজাদালাহ, আয়াত ২২]

Tagged With:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *